১১ দিনের মাথায় ফের বন্ধ আদানির একটি ইউনিট, লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা১১ দিনের মাথায় ফের বন্ধ আদানির একটি ইউনিট, লোডশেডিং বাড়ার শঙ্কা

কয়েক দিন ধরে সারা দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং চলছে। এর মধ্যে আরেক দুঃসংবাদ নিয়ে এসেছে ভারতের আদানি গ্রুপ। গ্রুপটির বিদ্যুৎ কোম্পানির দুটি ইউনিটের একটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। সেই ইউনিটটি ১১ এপ্রিল চালু হয়। তবে ১১ দিনের মাথায় আজ বুধবার দুপুরে ফের একটি ইউনিট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে লোডশেডিং আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিড পিএলসি বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্যে দেখা যায়, এদিন দুই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট (১৪৯৯) করে বিদ্যুৎ দিচ্ছিল আদানি। বেলা ২টায় তা একলাফে ৭৫০ মেগাওয়াটে নেমে আসে।

এদিকে গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট উঠলেও উৎপাদন সেই হারে বাড়ানো যাচ্ছে না। ফলে ঘণ্টাপ্রতি লোডশেডিং ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বর্তমান আলোকে বলেন, আদানি জানিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিটের বিয়ারিং থেকে সতর্কসংকেত পাওয়া যাচ্ছিল। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি মেরামত করতে তিন-চার দিন লেগে যেতে পারে।

ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করে বাংলাদেশ। যা বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর হয়ে আসে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয় ২০২৩ সালের মার্চে। দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদন শুরু হয় ওই বছর জুনে।