English
ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

আমি ফ্যাশন ছাড়ব না কোনোদিন

সুমন হোসেন

সময়ের সাথে সাথে ফ্যাশন  নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।  কেউ কেউ আবার পেশা হিসেবেও এটিকে গ্রহণ করছে।  বর্তমানে বিভিন্ন কর্পোরেট অনুষ্ঠানে কদর বাড়ছে  ফ্যাশন ডিরেক্টরদের।  আর এসব বিষয়ে কথা বলেন  ফ্যাশন ডিরেক্টর সুমন হোসেন।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে  ফ্যাশন  ইন্ডাস্টির  বর্তমানে কোন অবস্থানে আছে এবং এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

উত্তর: বাংলাদেশে  ফ্যাশন  ইন্ডাস্টির র বর্তমান অবস্থান ততটা আশাব্যঞ্জক নয়। এটি ঠিক যে এই সেক্টরটিতে বর্তমানে অনেক কাজ হচ্ছে। কিন্তু যতটা কাজ হওয়ার কথা ছিল ততটা কাজ এখনো হচ্ছে না।  তাই স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি অত্যন্ত পীড়াদায়ক।  এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো আমরা এই পেশাটিকে এখনো সঠিকভাবে মূল্যায়ন করি না।  ফ্যাশনের  উপর পড়ালেখা থাকলেও এটি মানুষের কাছে খুব একটা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। । এছাড়া পারিবারিকভাবেও এই পেশাটিকে ততটা উৎসাহ দেওয়া হয় না। আর তাই তো অন্যান্য পেশাগুলো অনেক এগিয়ে গেলেও এই পেশাটির গতি কিছুটা মন্থর। সেজন্য এর ভবিষ্যৎ নিয়েও খুব বেশি কিছু বলার নেই। তবে আমি আশাবাদী যে, একদিন নিশ্চয়ই এদেশে ফ্যাশন  ইন্ডাস্টি  হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

প্রশ্ন: প্রত্যেকটি পেশা দিনদিন আপডেট হয়।  আমরা দেখছি নতুন নতুন ধারা যোগ হচ্ছে ফ্যাশন্ ইন্ডাস্টি । তাহলে ভবিষ্যতে এটি কতটা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর: বর্তমানে যারা ফ্যাশন  ডিরেক্টর হিসাবে  যুক্ত তাদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগই অন্য কেনো পেশার পাশাপাশি এই পেশাটিকে চালাচ্ছেন। এর কারণ হলো এখানে সম্মান এবং সম্মানী দুইটিই কম। যেহেতু পেশাটি এখনো অতটা লাভজনক অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি, তাই অনেকে নিজে থেকে বিনিয়োগ করে এখানে টিকে থাকতে পারছে না। তবে নিত্য-নতুন সংযোজনের মাধ্যমে আশা করি আগামীতে এটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে ফ্যাশন  ইন্ড্রাস্টি  বিকাশের ক্ষেত্রে আপনি কোন কোন সমস্যাগুলো দেখতে পান?

উত্তর: প্রথমত, এখানে শিল্পীদের মূল্যায়ন করা হয় না। বাংলাদেশে অনেক প্রখ্যাত ডিরেক্টর  রয়েছেন যারা পেশাগত জীবনে উৎকর্ষ সাধন করলেও যথাযথ সম্মান পান না। বড় বড় অনুষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হলেও ফ্যাশন  ডিরেক্টর  অনেক ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত থাকে। এছাড়া সামাজিকভাবেও এই পেশাটিকে অনেক সময় অবমূল্যায়ণ করা হয়।

প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রগুলোতে  মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর: অনেকগুলাও সেক্টরেই  নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে , টিভিসি, কর্পোরেট শো- ইত্যাদি আরো অনেকগুলো ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে ফ্যাশন   নিয়ে কাজ করা যায়।  বিশেষ করে ওয়েডিংয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানে ফ্যাশনের ডিরেক্টরদের  কদর বাড়ছে।  সুতরাং আমি বলব আমাদের কাজের অনেক ক্ষেত্র রয়েছে।

সুমন হোসেন  নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘আমি ভবিষ্যতে চাকরী বা ব্যাবসা যাই করি না কেন, ফ্যাশন ইন্ডাস্টি  কোনও দিন ছাড়তে পারবো না।  ভালো মানের প্রশিক্ষকদের কাছে থেকে নিজে আরো যুগোপযোগী  প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবো।  যাতে আমি নিজে আরো উন্নতমানের একজন ডিরেক্টর হতে পারি

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রতিবেদকের বিস্তারিত

আমি ফ্যাশন ছাড়ব না কোনোদিন

প্রকাশিত সময় ০৮:৩৭:২৫ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

সময়ের সাথে সাথে ফ্যাশন  নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।  কেউ কেউ আবার পেশা হিসেবেও এটিকে গ্রহণ করছে।  বর্তমানে বিভিন্ন কর্পোরেট অনুষ্ঠানে কদর বাড়ছে  ফ্যাশন ডিরেক্টরদের।  আর এসব বিষয়ে কথা বলেন  ফ্যাশন ডিরেক্টর সুমন হোসেন।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে  ফ্যাশন  ইন্ডাস্টির  বর্তমানে কোন অবস্থানে আছে এবং এর ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

উত্তর: বাংলাদেশে  ফ্যাশন  ইন্ডাস্টির র বর্তমান অবস্থান ততটা আশাব্যঞ্জক নয়। এটি ঠিক যে এই সেক্টরটিতে বর্তমানে অনেক কাজ হচ্ছে। কিন্তু যতটা কাজ হওয়ার কথা ছিল ততটা কাজ এখনো হচ্ছে না।  তাই স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি অত্যন্ত পীড়াদায়ক।  এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো আমরা এই পেশাটিকে এখনো সঠিকভাবে মূল্যায়ন করি না।  ফ্যাশনের  উপর পড়ালেখা থাকলেও এটি মানুষের কাছে খুব একটা গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। । এছাড়া পারিবারিকভাবেও এই পেশাটিকে ততটা উৎসাহ দেওয়া হয় না। আর তাই তো অন্যান্য পেশাগুলো অনেক এগিয়ে গেলেও এই পেশাটির গতি কিছুটা মন্থর। সেজন্য এর ভবিষ্যৎ নিয়েও খুব বেশি কিছু বলার নেই। তবে আমি আশাবাদী যে, একদিন নিশ্চয়ই এদেশে ফ্যাশন  ইন্ডাস্টি  হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।

সম্পর্কিত খবর
সুমন হোসেনের তত্ত্বাবধানে ইনডেক্স কেয়ার বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক অনুষ্ঠিত
আরও পড়ুন

প্রশ্ন: প্রত্যেকটি পেশা দিনদিন আপডেট হয়।  আমরা দেখছি নতুন নতুন ধারা যোগ হচ্ছে ফ্যাশন্ ইন্ডাস্টি । তাহলে ভবিষ্যতে এটি কতটা মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর: বর্তমানে যারা ফ্যাশন  ডিরেক্টর হিসাবে  যুক্ত তাদের মধ্যে হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগই অন্য কেনো পেশার পাশাপাশি এই পেশাটিকে চালাচ্ছেন। এর কারণ হলো এখানে সম্মান এবং সম্মানী দুইটিই কম। যেহেতু পেশাটি এখনো অতটা লাভজনক অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি, তাই অনেকে নিজে থেকে বিনিয়োগ করে এখানে টিকে থাকতে পারছে না। তবে নিত্য-নতুন সংযোজনের মাধ্যমে আশা করি আগামীতে এটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে ফ্যাশন  ইন্ড্রাস্টি  বিকাশের ক্ষেত্রে আপনি কোন কোন সমস্যাগুলো দেখতে পান?

উত্তর: প্রথমত, এখানে শিল্পীদের মূল্যায়ন করা হয় না। বাংলাদেশে অনেক প্রখ্যাত ডিরেক্টর  রয়েছেন যারা পেশাগত জীবনে উৎকর্ষ সাধন করলেও যথাযথ সম্মান পান না। বড় বড় অনুষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হলেও ফ্যাশন  ডিরেক্টর  অনেক ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত থাকে। এছাড়া সামাজিকভাবেও এই পেশাটিকে অনেক সময় অবমূল্যায়ণ করা হয়।

প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রগুলোতে  মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর: অনেকগুলাও সেক্টরেই  নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে , টিভিসি, কর্পোরেট শো- ইত্যাদি আরো অনেকগুলো ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে ফ্যাশন   নিয়ে কাজ করা যায়।  বিশেষ করে ওয়েডিংয়ের ক্ষেত্রে বর্তমানে ফ্যাশনের ডিরেক্টরদের  কদর বাড়ছে।  সুতরাং আমি বলব আমাদের কাজের অনেক ক্ষেত্র রয়েছে।

সুমন হোসেন  নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে বলেন, ‘আমি ভবিষ্যতে চাকরী বা ব্যাবসা যাই করি না কেন, ফ্যাশন ইন্ডাস্টি  কোনও দিন ছাড়তে পারবো না।  ভালো মানের প্রশিক্ষকদের কাছে থেকে নিজে আরো যুগোপযোগী  প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবো।  যাতে আমি নিজে আরো উন্নতমানের একজন ডিরেক্টর হতে পারি

Google News
Google News-এ সর্বশেষ খবর পেতে “বর্তমান আলো” ফলো করুন