English
ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

বাপ্পা-মুক্তির সমর্থনে বিলাশ খান

বাপ্পা-মুক্তির সমর্থনে বিলাশ খান

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নায়করাজ রাজ্জাক পুত্র বাপ্পারাজ ও আনোয়ারা বেগমের মেয়ে রুমানা ইসলাম মুক্তি। তাদের প্যানেলে নির্বাচনের কথা ভাবছেন অভিনেতা বিলাশ খান। সরাসরি নির্বাচনে অংশ না নিলেও বাপ্পা-মুক্তি পরিষদের সমর্থনে থাকবেন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

এ প্রসঙ্গে বিলাশ খান বলেন, এবার দুই কিংবদন্তির সন্তান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সত্যিকার শিল্পীদের সন্তান শিল্পী সমিতির হাল ধরার কথা ভেবেছেন। তাই সুন্দর শিল্পমনা একটা প্যানেলের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিগত সময় আমি নির্বাচন পেছন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। তবে এবার নিজেই প্রার্থী হওয়ার কথা ভাবছি।

তিনি আরও বলেন, অনেক শিল্পীই ১৭ বছর মুজিব কোর্ট পরে সরাসরি আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করেছে। নায়ক ফারুক, সাবেক মেয়র তাপসসহ অনেকের প্রচারণায় অংশ নিয়েছে। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ফারুক ভাইয়ের বাসায় মিশা সওদাগর, জায়েদ খানসহ আরো অনেকেই আমরা গিয়েছি। সেখানে জায়েদ খান ফারুক ভাইকে পরিচয় করে দিয়েছে ভাই বিলাশ বিএনপি করে। অনেকেই দলীয় পরিচয়ে গিয়েছিল। আমরা শিল্পীরা পেশাদার রাজনীতিবিদ না। ব্যক্তিগতভাবে দলে নাম লেখালে সেটা শিল্পী পরিচয়ের বাইরে। জয় চৌধুরী, জায়েদ খান, মিশা সওদাগররা যুবলীগের নিখিলের পক্ষে ভোট চেয়েছে। তারা মুজিব কোর্ট পরেছে, যার ভিডিও এখনো আছে। জয় চৌধুরী আওয়ামী লীগের হয়ে সক্রিয় থাকলেও এখন নিজেকে সাবেক ছাত্রদল দাবি করছে। একসময় ছাত্রদল করতে পারে কিন্তু তারপর কি করেছে সেটা হলো মূল বিষয়। এ ক্ষেত্রে কিন্তু কেউ কিছু বলেনি তাদের। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

এই অভিনেতা বলেন, ৫ই আগস্ট রাতে সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তর ভাই আমাকে ফোন করে বলেন- বিলাশ ভাই কালকে এফডিসিতে  যেতে হবে। শিবা শানু ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে। সেও কালকে আসবে। ৬ই আগস্ট শিবা শানু ভাই আর আমি শিল্পীদের ভিতরে এবং আরো অনেকে- পরিচালক সমিতি, প্রযোজক, নৃত্য পরিচালক সমিতি, বিভিন্ন সংগঠনের লোকসহ কোন অপ্রতিকার ঘটনা যাতে না ঘটে। আমরা সবাই মিলে একটা পরিবেশ তৈরি করেছিলাম। আজকে সেই লেভিং প্লেইং ফিল্ডে সবাই খেলতেছে। আমরা এটাই চেয়েছিলাম। এফডিসি রাজনীতি মুক্ত হোক এখানে শুধু শিল্পীদের কাজ থাকবে আড্ডা হবে।

বিলাশ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য হওয়ার পর বিগত পাঁচবার ভোট দিয়েছি। কখনো নির্বাচন করিনি। এবার আগ্রহ আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। মুক্তি আপা প্রথম আমাকে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন। বাপ্পারাজ ও মুক্তি দুই কিংবদন্তির সন্তান। তাদের আলাদা একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে। সবকিছু মিলিয়ে চিন্তা করছি। নির্বাচন না করলেও বাপ্পা-মুক্তি পরিষদের সমর্থন থাকব। জায়েদ খানের সময় এফডিসিতে পুলিশি প্রভাব নির্বাচনে ছিল। এবার যাতে এসব না হয় সেটাই কামনা করি। সুস্থ ও সুন্দর একটি নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি।

বিলাশ খান অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা ‘হিরো ৪২০’, ‘রক্ত’, ‘মনে রেখ’, ‘সুলতানপুর’ ইত্যাদি।মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘জামদানি’ সিনেমাটি।

প্রতিবেদকের বিস্তারিত

বাপ্পা-মুক্তির সমর্থনে বিলাশ খান

প্রকাশিত সময় ১০:৪৪:১৭ পূর্বাহ্ণ, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন নায়করাজ রাজ্জাক পুত্র বাপ্পারাজ ও আনোয়ারা বেগমের মেয়ে রুমানা ইসলাম মুক্তি। তাদের প্যানেলে নির্বাচনের কথা ভাবছেন অভিনেতা বিলাশ খান। সরাসরি নির্বাচনে অংশ না নিলেও বাপ্পা-মুক্তি পরিষদের সমর্থনে থাকবেন বলে জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

এ প্রসঙ্গে বিলাশ খান বলেন, এবার দুই কিংবদন্তির সন্তান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। সত্যিকার শিল্পীদের সন্তান শিল্পী সমিতির হাল ধরার কথা ভেবেছেন। তাই সুন্দর শিল্পমনা একটা প্যানেলের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিগত সময় আমি নির্বাচন পেছন থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি। তবে এবার নিজেই প্রার্থী হওয়ার কথা ভাবছি।

তিনি আরও বলেন, অনেক শিল্পীই ১৭ বছর মুজিব কোর্ট পরে সরাসরি আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করেছে। নায়ক ফারুক, সাবেক মেয়র তাপসসহ অনেকের প্রচারণায় অংশ নিয়েছে। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ফারুক ভাইয়ের বাসায় মিশা সওদাগর, জায়েদ খানসহ আরো অনেকেই আমরা গিয়েছি। সেখানে জায়েদ খান ফারুক ভাইকে পরিচয় করে দিয়েছে ভাই বিলাশ বিএনপি করে। অনেকেই দলীয় পরিচয়ে গিয়েছিল। আমরা শিল্পীরা পেশাদার রাজনীতিবিদ না। ব্যক্তিগতভাবে দলে নাম লেখালে সেটা শিল্পী পরিচয়ের বাইরে। জয় চৌধুরী, জায়েদ খান, মিশা সওদাগররা যুবলীগের নিখিলের পক্ষে ভোট চেয়েছে। তারা মুজিব কোর্ট পরেছে, যার ভিডিও এখনো আছে। জয় চৌধুরী আওয়ামী লীগের হয়ে সক্রিয় থাকলেও এখন নিজেকে সাবেক ছাত্রদল দাবি করছে। একসময় ছাত্রদল করতে পারে কিন্তু তারপর কি করেছে সেটা হলো মূল বিষয়। এ ক্ষেত্রে কিন্তু কেউ কিছু বলেনি তাদের। নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

সম্পর্কিত খবর
দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’
আরও পড়ুন

এই অভিনেতা বলেন, ৫ই আগস্ট রাতে সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তর ভাই আমাকে ফোন করে বলেন- বিলাশ ভাই কালকে এফডিসিতে  যেতে হবে। শিবা শানু ভাইয়ের সাথে আমার কথা হয়েছে। সেও কালকে আসবে। ৬ই আগস্ট শিবা শানু ভাই আর আমি শিল্পীদের ভিতরে এবং আরো অনেকে- পরিচালক সমিতি, প্রযোজক, নৃত্য পরিচালক সমিতি, বিভিন্ন সংগঠনের লোকসহ কোন অপ্রতিকার ঘটনা যাতে না ঘটে। আমরা সবাই মিলে একটা পরিবেশ তৈরি করেছিলাম। আজকে সেই লেভিং প্লেইং ফিল্ডে সবাই খেলতেছে। আমরা এটাই চেয়েছিলাম। এফডিসি রাজনীতি মুক্ত হোক এখানে শুধু শিল্পীদের কাজ থাকবে আড্ডা হবে।

বিলাশ বলেন, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সদস্য হওয়ার পর বিগত পাঁচবার ভোট দিয়েছি। কখনো নির্বাচন করিনি। এবার আগ্রহ আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। মুক্তি আপা প্রথম আমাকে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন। বাপ্পারাজ ও মুক্তি দুই কিংবদন্তির সন্তান। তাদের আলাদা একটা গ্রহণযোগ্যতা আছে। সবকিছু মিলিয়ে চিন্তা করছি। নির্বাচন না করলেও বাপ্পা-মুক্তি পরিষদের সমর্থন থাকব। জায়েদ খানের সময় এফডিসিতে পুলিশি প্রভাব নির্বাচনে ছিল। এবার যাতে এসব না হয় সেটাই কামনা করি। সুস্থ ও সুন্দর একটি নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি।

বিলাশ খান অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমা ‘হিরো ৪২০’, ‘রক্ত’, ‘মনে রেখ’, ‘সুলতানপুর’ ইত্যাদি।মুক্তির অপেক্ষায় আছে ‘জামদানি’ সিনেমাটি।

Google News
Google News-এ সর্বশেষ খবর পেতে “বর্তমান আলো” ফলো করুন