English
ঢাকা ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

রাজীব মণি দাসের নির্মাণ ঝুলিতে ২৫০টিরও বেশি নাটক

রাজীব মণি দাসের রচনায় ২৫০টিরও বেশি নাটক

বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের পরিচিত নাম রাজীব মণি দাস। একাধারে উপন্যাসিক, গীতিকবি ও নাট্যকার এই লেখক দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি নাট্যকার সংঘ’র সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত রয়েছেন।

সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকে রাজীব মণি দাস লিখেছেন অসংখ্য ছোটগল্প, কবিতা, গান ও উপন্যাস। তার জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘বাবা’, ‘তাহার জন্য আর কোনো চিন্তা নাই’, ‘এক পশলা বৃষ্টি’, সাইন্স ফিকশন ‘মি. ব্রেইন’ প্রভৃতি। ২০১৫ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত ‘বাবা’ উপন্যাসটি পাঠকমহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে আজ অবধি রাজীব মণি দাসের রচনায় নির্মিত হয়েছে ২৫০টিরও বেশি একক নাটক ও টেলিছবি, ১৫টি ধারাবাহিক নাটক এবং ৩০টির অধিক টিভি বিজ্ঞাপন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য একক নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে— এ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন, এবিসি, প্রডিওসার, সখি ভালোবাস কারে কয়, গণিকা এখন আমি, স্বপ্ন ঘুড়ি, ভাঙ্গন, লাভ গিফট, হ্যাকার, পাগলের বিয়ে, প্রাণের স্বামী, লোকাল সার্ভিস, মনের মতো বউ চাই, সেলিব্রেটি কাউ, হ্যালুসিনেশন, বাবার স্বপ্ন, নেপালে হানিমুন ইত্যাদি।

ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ট্রাফিক সিগন্যাল, রং বেরঙ্গের মানুষেরা, সাত রঙা ভালোবাসা, পাগলের মেলা, বিয়াই সাব, ভেজাল কাদের, মামা-ভাগ্নে ম্যারেজ মিডিয়া, মহল্লার সামছু, পার্শ্ব চরিত্র প্রভৃতি।

স্কুলজীবন থেকেই লেখালেখির প্রতি আগ্রহী রাজীব মণি দাস গীতিকবিকে প্রথম পছন্দ বললেও পরবর্তীতে উপন্যাস ও নাটকে নিজেকে আরও বেশি নিবেদিত করেন। পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তার অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। অসুস্থ রোগীর সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ, নিয়মিত রক্তদানসহ মানবিক কাজে তিনি সবসময় এগিয়ে থাকেন।

সংস্কৃতি অঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন বহু পুরস্কার। এর মধ্যে রয়েছে— বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড, ট্রাব অ্যাওয়ার্ড, এজেএফবি অ্যাওয়ার্ড, মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড, বায়োস্কোপ স্টার অ্যাওয়ার্ড, বিসিআরসি অ্যাওয়ার্ড, শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড সহ আরও অনেক সম্মাননা।

এছাড়া, বিচারক হিসেবেও তার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। তিনি ছিলেন— মিস এন্ড মিসেস প্লাস বিউটি শো, মি. এন্ড মিস গ্ল্যামার লুকস, আন্তর্জাতিক বাভাসি চলচ্চিত্র উৎসব-এর প্রধান বিচারকসহ বহু কর্মসূচির বিচারক।

রাজীব মণি দাস জানান, “সংস্কৃতি আমার ধ্যান-জ্ঞান, আমার ভালোবাসা। আমৃত্যু এই অঙ্গনে থাকতে চাই এবং লিখে যেতে চাই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত।”

সংস্কৃতির প্রতি অগাধ টান, নিরন্তর সৃজনশীলতা এবং মানবিকতার মেলবন্ধন— সব মিলিয়ে রাজীব মণি দাস আজ বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের একটি শক্তিশালী নাম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রতিবেদকের বিস্তারিত

রাজীব মণি দাসের নির্মাণ ঝুলিতে ২৫০টিরও বেশি নাটক

প্রকাশিত সময় ০১:৪৭:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের পরিচিত নাম রাজীব মণি দাস। একাধারে উপন্যাসিক, গীতিকবি ও নাট্যকার এই লেখক দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। বর্তমানে তিনি নাট্যকার সংঘ’র সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত রয়েছেন।

সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকে রাজীব মণি দাস লিখেছেন অসংখ্য ছোটগল্প, কবিতা, গান ও উপন্যাস। তার জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘বাবা’, ‘তাহার জন্য আর কোনো চিন্তা নাই’, ‘এক পশলা বৃষ্টি’, সাইন্স ফিকশন ‘মি. ব্রেইন’ প্রভৃতি। ২০১৫ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত ‘বাবা’ উপন্যাসটি পাঠকমহলে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে আজ অবধি রাজীব মণি দাসের রচনায় নির্মিত হয়েছে ২৫০টিরও বেশি একক নাটক ও টেলিছবি, ১৫টি ধারাবাহিক নাটক এবং ৩০টির অধিক টিভি বিজ্ঞাপন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য একক নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে— এ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন, এবিসি, প্রডিওসার, সখি ভালোবাস কারে কয়, গণিকা এখন আমি, স্বপ্ন ঘুড়ি, ভাঙ্গন, লাভ গিফট, হ্যাকার, পাগলের বিয়ে, প্রাণের স্বামী, লোকাল সার্ভিস, মনের মতো বউ চাই, সেলিব্রেটি কাউ, হ্যালুসিনেশন, বাবার স্বপ্ন, নেপালে হানিমুন ইত্যাদি।

সম্পর্কিত খবর
দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’
আরও পড়ুন

ধারাবাহিক নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য— ট্রাফিক সিগন্যাল, রং বেরঙ্গের মানুষেরা, সাত রঙা ভালোবাসা, পাগলের মেলা, বিয়াই সাব, ভেজাল কাদের, মামা-ভাগ্নে ম্যারেজ মিডিয়া, মহল্লার সামছু, পার্শ্ব চরিত্র প্রভৃতি।

স্কুলজীবন থেকেই লেখালেখির প্রতি আগ্রহী রাজীব মণি দাস গীতিকবিকে প্রথম পছন্দ বললেও পরবর্তীতে উপন্যাস ও নাটকে নিজেকে আরও বেশি নিবেদিত করেন। পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তার অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। অসুস্থ রোগীর সহায়তা, সামাজিক উদ্যোগ, নিয়মিত রক্তদানসহ মানবিক কাজে তিনি সবসময় এগিয়ে থাকেন।

সংস্কৃতি অঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পেয়েছেন বহু পুরস্কার। এর মধ্যে রয়েছে— বাবিসাস অ্যাওয়ার্ড, ট্রাব অ্যাওয়ার্ড, এজেএফবি অ্যাওয়ার্ড, মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড, বায়োস্কোপ স্টার অ্যাওয়ার্ড, বিসিআরসি অ্যাওয়ার্ড, শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড সহ আরও অনেক সম্মাননা।

এছাড়া, বিচারক হিসেবেও তার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। তিনি ছিলেন— মিস এন্ড মিসেস প্লাস বিউটি শো, মি. এন্ড মিস গ্ল্যামার লুকস, আন্তর্জাতিক বাভাসি চলচ্চিত্র উৎসব-এর প্রধান বিচারকসহ বহু কর্মসূচির বিচারক।

রাজীব মণি দাস জানান, “সংস্কৃতি আমার ধ্যান-জ্ঞান, আমার ভালোবাসা। আমৃত্যু এই অঙ্গনে থাকতে চাই এবং লিখে যেতে চাই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত।”

সংস্কৃতির প্রতি অগাধ টান, নিরন্তর সৃজনশীলতা এবং মানবিকতার মেলবন্ধন— সব মিলিয়ে রাজীব মণি দাস আজ বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনের একটি শক্তিশালী নাম।

Google News
Google News-এ সর্বশেষ খবর পেতে “বর্তমান আলো” ফলো করুন