সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মূল মুকুট জয় করতে না পারলেও বিশেষ এক মুকুট অর্জন করেছেন কনিকা আক্তার। ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ সিজন ২’-এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে সেরা তিনে জায়গা করে নিতে না পারলেও তিনি পেয়েছেন এক বিশেষ সম্মাননা। প্রতিযোগিতার আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁকে পড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর কুইন’ মুকুট।
গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ সিজন ২’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস ও প্রতিভার সমন্বয়ে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশ নেন প্রতিযোগীরা। মূল মুকুটের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত সেরাদের তালিকায় জায়গা না পেলেও বিশেষ স্বীকৃতির মাধ্যমে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন কনিকা।
নিজের উপস্থাপনা, ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাস বিকাশের সুযোগ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন এই মঞ্চকে। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তাঁর এই যাত্রা ছিল নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন ও নিজেকে তুলে ধরার একটি সুযোগ।
‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর কুইন’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়াকে কনিকা নতুন সম্ভাবনার দরজা হিসেবে দেখছে। সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে অর্জিত এই পরিচয় ভবিষ্যতে তাঁর ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিং, প্রচারমূলক কার্যক্রম এবং বিনোদন অঙ্গনে পথচলায় নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে জানান তিনি।
কনিকার কাছে এই অর্জন কেবল একটি উপাধি নয়, বরং সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণাও। মূল মুকুট না জিতলেও বিশেষ সম্মাননা পাওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন, একটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সাফল্য শুধু বিজয়ীর তালিকায় জায়গা পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন পরিচিতি, অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যতের সম্ভাবনাও হতে পারে এমন আয়োজনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি।
কনিকা আক্তার বলেন, ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ সিজন ২’-এর সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। এই যাত্রা আমার জন্য অনেক নতুন অভিজ্ঞতা ও শেখার সুযোগ তৈরি করেছে। মূল মুকুট জয় করতে না পারলেও ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর কুইন’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া আমার কাছে বিশেষ প্রাপ্তি। এই সম্মান আমাকে সামনে আরও ভালো কাজ করতে এবং নিজের যোগ্যতা প্রমাণে অনুপ্রাণিত করবে। আমি চাই, ভবিষ্যতে নিজের কাজের মাধ্যমে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে এবং নতুন নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যেতে।
প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ছিলেন অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা, অভিনেতা ও মডেল অন্তু করিম, এশিয়া জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা তাসনুভা খান এবং নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার ইভান শাহরিয়ার সোহাগ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন মডেল ও কোরিওগ্রাফার তানজিল জনি এবং কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা।
‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মলি আক্তারের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বোর্ড অব ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইবনে সাঈদ অঙ্কুর, বারিশা হক ও মাজহার সুমন।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই মঞ্চ থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান নারীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
আত্মবিশ্বাস, সৌন্দর্য আর প্রতিভার উদ্যাপনে নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিয়ে শেষ হলো ‘মিস অ্যান্ড মিসেস এলিগেন্স বাংলাদেশ সিজন ২’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে।

তারার আলো প্রতিবেদক, ঢাকাঃ 













