English
ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
[gtranslate]

ফরিদুল ইসলাম রুবেলের রচনায় ‘বিয়ের শান্তি চুক্তি’

  • নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • প্রকাশিত সময় ০৭:১১:৩২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৯ সংবাদটি দেখা হয়েছে

ফরিদুল ইসলাম রুবেলের রচনায় ‘বিয়ের শান্তি চুক্তি’

বাসর ঘরে বিড়াল মারা নামক প্রবাদ শুনে অভ্যস্ত আমরা। সংসারের সুখের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। নানান শর্তে জুড়ে দেয় স্ত্রী অথবা স্বামী। তেমনি এক সুখের নীড় তৈরি করতে বাসর রাতেই শান্তি চুক্তি করতে চায় স্ত্রী। এমন অদ্ভুত ধরনের গল্পে সংলাপ ও চিত্রনাট্য করেছেন নাট্যকার ফরিদুল ইসলাম রুবেল। আর পরিচালনা করেছেন নির্মাতা মো. ফাহাদ। 

নাটকে অভিনয় করেছেন- শিবলী নোমান, জান্নাতুন নূর মুন, সাইকা আহমেদ, ম. আ. সালাম, ফরিদ হোসাইন,  সুব্রত চক্রবতী, প্রমুখ। 

নাট্যকার ফরিদুল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘সংসার জীবন সহজ এবং কঠিন এই দুইয়ের মধ্যেই থাকে। সহজ হয় একে অপরের বোঝাপড়ার মধ্যে, আর কঠিন হয় সহজ করে চিন্তা না করতে পারার জন্য। চুক্তি করে আসলে কখনো শান্তি হয় না। শান্তির জন্য প্রয়োজন মিল মহব্বত।’ 

পরিচালক মো. ফাহাদ বলেন, ‘সমাজের নানান অসংগতির কারণে মেয়েটির মনে সংসয়-বিভ্রাট হয়, যেইটা দূর করার জন্য সে বাসর ঘরেই স্বামীর সঙ্গে সুখে থাকার জন্য চুক্তিপত্র তৈরি করে। আদতে সে চুক্তিপত্র তাদের অসুখেরই কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’ 

গল্পে দেখা যায়- স্বামী খুশিমনে বাসরঘরে ঢুকে পাগড়ি রেখে স্ত্রীর পাশে গিয়ে বসে হাত ধরতেই স্ত্রী স্বামীর হাতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প এবং একগাদা শর্তাবলীসহ চুক্তিপত্র সামনে তুলে ধরে। বিয়ের পর কে কোন দায়িত্ব পালন করবে, কে মশারী টানাবে, কে কাপড়-চোপড় ধূবে। প্রথম দিকে স্বামী তার চুক্তি মোতাবেক কাজ করলেও ধীরে ধীরে শর্ত ভঙ্গ হতে থাকে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টি হয়। এতে বিয়ের শান্তি চুক্তি আর শান্তির বাতায়ন বহন না করে অশান্তির বাতাস বইতে থাকে। পরিবারের লোকজন এ অশান্তি নিভানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। 

এমনই ব্যতিক্রমধর্মী গল্প শীঘ্রই একটি বেসরকারী টেলিভিশনে প্রচারিত হবে বলে পরিচালক সূত্রে জানা যায়। 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রতিবেদকের বিস্তারিত

ফরিদুল ইসলাম রুবেলের রচনায় ‘বিয়ের শান্তি চুক্তি’

প্রকাশিত সময় ০৭:১১:৩২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাসর ঘরে বিড়াল মারা নামক প্রবাদ শুনে অভ্যস্ত আমরা। সংসারের সুখের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। নানান শর্তে জুড়ে দেয় স্ত্রী অথবা স্বামী। তেমনি এক সুখের নীড় তৈরি করতে বাসর রাতেই শান্তি চুক্তি করতে চায় স্ত্রী। এমন অদ্ভুত ধরনের গল্পে সংলাপ ও চিত্রনাট্য করেছেন নাট্যকার ফরিদুল ইসলাম রুবেল। আর পরিচালনা করেছেন নির্মাতা মো. ফাহাদ। 

নাটকে অভিনয় করেছেন- শিবলী নোমান, জান্নাতুন নূর মুন, সাইকা আহমেদ, ম. আ. সালাম, ফরিদ হোসাইন,  সুব্রত চক্রবতী, প্রমুখ। 

নাট্যকার ফরিদুল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘সংসার জীবন সহজ এবং কঠিন এই দুইয়ের মধ্যেই থাকে। সহজ হয় একে অপরের বোঝাপড়ার মধ্যে, আর কঠিন হয় সহজ করে চিন্তা না করতে পারার জন্য। চুক্তি করে আসলে কখনো শান্তি হয় না। শান্তির জন্য প্রয়োজন মিল মহব্বত।’ 

সম্পর্কিত খবর
দেবী দুর্গার মহিমা ও নারীশক্তির বন্দনায় প্রকাশিত ‘মহাদুর্গা’
আরও পড়ুন

পরিচালক মো. ফাহাদ বলেন, ‘সমাজের নানান অসংগতির কারণে মেয়েটির মনে সংসয়-বিভ্রাট হয়, যেইটা দূর করার জন্য সে বাসর ঘরেই স্বামীর সঙ্গে সুখে থাকার জন্য চুক্তিপত্র তৈরি করে। আদতে সে চুক্তিপত্র তাদের অসুখেরই কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’ 

গল্পে দেখা যায়- স্বামী খুশিমনে বাসরঘরে ঢুকে পাগড়ি রেখে স্ত্রীর পাশে গিয়ে বসে হাত ধরতেই স্ত্রী স্বামীর হাতে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্প এবং একগাদা শর্তাবলীসহ চুক্তিপত্র সামনে তুলে ধরে। বিয়ের পর কে কোন দায়িত্ব পালন করবে, কে মশারী টানাবে, কে কাপড়-চোপড় ধূবে। প্রথম দিকে স্বামী তার চুক্তি মোতাবেক কাজ করলেও ধীরে ধীরে শর্ত ভঙ্গ হতে থাকে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনের মধ্যে তিক্ততা সৃষ্টি হয়। এতে বিয়ের শান্তি চুক্তি আর শান্তির বাতায়ন বহন না করে অশান্তির বাতাস বইতে থাকে। পরিবারের লোকজন এ অশান্তি নিভানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। 

এমনই ব্যতিক্রমধর্মী গল্প শীঘ্রই একটি বেসরকারী টেলিভিশনে প্রচারিত হবে বলে পরিচালক সূত্রে জানা যায়। 

Google News
Google News-এ সর্বশেষ খবর পেতে “বর্তমান আলো” ফলো করুন